পেশাগত প্রজ্ঞা, স্বচ্ছতা ও প্রশাসনিক দৃঢ়তার কাছে বারবার পরাস্ত হয়ে অবশেষে নীতি-নৈতিকতার সব সীমা অতিক্রম করেছে এক অশুভ কুচক্রী মহল। গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঢাকা গণপূর্ত সার্কেল-১-এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ বদরুল আলম খানের সুদীর্ঘ কর্মময় জীবনে বিন্দুমাত্র অনিয়ম বা দুর্নীতির আঁচড় কাটতে না পেরে, একপর্যায়ে চরম দেউলিয়া হয়ে তাঁর একান্ত ব্যক্তিগত জীবনকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে একটি স্বার্থান্বেষী সিন্ডিকেট।অনুসন্ধানে জানা যায়, সুদীর্ঘ ২৫টি বছর ধরে বৈবাহিক জীবনের আড়ালে প্রথম স্ত্রীর অবর্ণনীয় মানসিক নিপীড়ন ও নিঃশব্দ নির্যাতন সহ্য করে আসছিলেন প্রকৌশলী বদরুল আলম খান। একের পর এক ঝড়ের মুখোমুখি হয়ে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলেও, তিনি সংকট নিরসনে সর্বোচ্চ ধৈর্য প্রদর্শন করেন। প্রকৌশলী নিজে এবং তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে বারবার সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা কোনো পাত্তাই পায়নি। এমনকি প্রথম স্ত্রীর বড় ভাই ও বড় মামা একাধিকবার আলোচনার দিনক্ষণ নির্ধারণ করেও পরবর্তীতে রহস্যজনকভাবে কেটে পড়েন।এ বিষয়ে ওই প্রকৌশলী ও তাঁর প্রতিবেশীদের মনস্তাত্ত্বিক অভিজ্ঞতার কথা উঠে আসে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রত্যক্ষদর্শী প্রতিবেশীর মুখে। তিনি বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে তিনি যে চরম পারিবারিক নিগ্রহের শিকার তা আমাদের চোখের সামনেই ঘটেছে। প্রতিবেশী হিসেবে আমরা বারবার চেষ্টা করেছি সংসারটিতে ইতিবাচক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে, কিন্তু তা সম্ভব হয়নি।”অবশেষে দীর্ঘ চড়াই-উৎরাইয়ের পর, সর্বপ্রকার ধর্মীয় বিধান ও রাষ্ট্রীয় আইনের শতভাগ প্রতিপালন নিশ্চিত করে প্রথম স্ত্রীকে আইনানুযায়ী চূড়ান্ত তালাকের নোটিশ প্রদান করার পূর্বে পারিবারিক সম্মতি ও সামাজিক মর্যাদার পূর্ণ আইনি সুরক্ষায় নতুন করে জীবন শুরুর লক্ষ্যে তিনি দ্বিতীয়বার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন যা সম্পূর্ণ বৈধ, স্বাভাবিক এবং একটি চূড়ান্ত পারিবারিক সিদ্ধান্ত।কিন্তু বিপত্তি ঘটে এখানেই। আইনি তালাক নোটিশ হাতে পাওয়ার পর, চরম ব্যক্তিগত আক্রোশ ও প্রতিহিংসাপরায়ণ মানসিকতা থেকে প্রথম স্ত্রী তাঁদের অতীত ও সামাজিক যোগাযোগের একান্ত পারিবারিক ছবিগুলোকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করেন। ছবিগুলো বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীর দ্বারে দ্বারে পৌঁছে দিয়ে এবং অসত্য ও বিকৃত তথ্যের লেপন দিয়ে এই প্রকৌশলীর সামাজিক ও পেশাগত সম্মান ধূলায় মিশিয়ে দেওয়ার এক হীন চক্রান্তে মেতে ওঠা হয়। কর্মক্ষেত্রে যাঁকে দমানো যায়নি, তাঁকে সামাজিকভাবে কোণঠাসা করতেই এই রূপকথার ভুয়া ‘স্ক্যান্ডাল’ ও গুজব ছড়িয়েছে একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট আদা জল খেয়েই। পরিবারের এমন টানাপোড়েন এবং চক্রান্ত প্রসঙ্গে গভীর মর্মবেদনা ব্যক্ত করে প্রকৌশলীর বোন বলেন, “কোয়ার্টার সেঞ্চুরি অর্থাৎ দীর্ঘ ২৫ বছর একটি ছাদের নিচে থেকেও আমরা বড় ভাবির কাছে ন্যূনতম ভালোবাসা, সহানুভূতি বা শ্রদ্ধাবোধ পাইনি। বিপরীতে, অল্প দিনেই ছোট ভাবির আন্তরিকতা, ইতিবাচক মনোভাব এবং শালীনতা আমাদের গোটা পরিবারে এক চরম আস্থা ও ভালোবাসার জায়গা তৈরি করেছে।
০২ মে ২০২৫