দেশ ডাক
সর্বশেষ

ফুলবাড়ীতে ব্যক্তিগত গাছ কাটতেও ইউনিয়ন পরিষদ কে দিতে হয় কমিশন!

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর এলুয়াড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা নাবিউল ইসলাম এর সহযোগিতায় মালিকানা দাবি করে ইউনিয়ন পরিষদের রাস্তার গাছ কাটলেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামীপরিবারের সদস্যরা।সেখান থেকে ৪০% কমিশন নিলেন ইউপি চেয়ারম্যান।এমনটাই অভিযোগ করলেন গাছ মালিক।সম্প্রতি এলুয়াড়ী ইউনিয়ন পরিষদে প্রবেশ মুখে রাস্তার বেশ কিছু গাছ কেটে ফেলা হয়েছে।গাছ কাটা নিয়ে নানান প্রশ্ন উঠেছে জন মনে।গাছগুলো মালিকানা,নাকি ইউনিয়ন পরিষদের রাস্তার?বিষয়টি নিয়ে সরেজমিনে অনুসন্ধান করতে গিয়ে জানা গেছে,ওই এলাকার ভবানী শংকর রায় রাস্তার ধারে থাকা গাছগুলো নিজেদের মালিকানা দাবি করে গাছ কাটার জন্য মধ্যপাড়া রেঞ্জ কর্মকর্তা বরাবর একটি আবেদন করেন।আবেদনের প্রেক্ষিতে ওই জমিগুলো তাদের মালিকানা প্রমাণ হওয়ায় ভবানী শংকর রায়কে উক্ত গাছ গুলো কাটার অনুমতি প্রদান করেন সংশ্লিষ্ট রেঞ্জ কর্মকর্তা।গাছ মালিক ভবানীশঙ্করের বক্তব্য, গাছ কাটার মুহূর্তে গাছ কাটতে বাধা প্রদান করেন ইউপি চেয়ারম্যান  মাওলানা নাবিউল ইসলাম।এ সময় চেয়ারম্যান তাকে বলেন,এই  গাছগুলো ইউনিয়ন পরিষদের রাস্তার।পক্ষান্তরে ভবানী শংকর রায়ের দাবি গাছগুলো তাদের মালিকানা জায়গায় রয়েছে।এমতাবস্থায় গাছের মূল্য থেকে ৪০% দাবি করেন চেয়ারম্যান।পরবর্তীতে চেয়ারম্যানকে ৪০% টাকা পরিশোধ করা হয়।৪০% টাকা পাবার পর গাছ কাটার অনুমতি দেন ইউপি চেয়ারম্যান নাবিউল ইসলাম।এখন প্রশ্ন উঠেছে গাছগুলো মালিকানা নাকি ইউনিয়ন পরিষদের রাস্তার?যদি মালিকানা গাছ হয়ে থাকে,তাহলে ইউপি চেয়ারম্যান ৪০% কিভাবে নিলেন?আর যদি ইউনিয়ন পরিষদের রাস্তার গাছ হয়ে থাকে,তাহলে টেন্ডার ছাড়াই গাছ কাটলেন কিভাবে?এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসাহাক আলী বলেন,গাছগুলো ভবানী শংকর রায়ের মালিকানা জমিতে থাকায় তাকে কাটার অনুমতি দিয়েছেন বন বিভাগ।বিষয়টি নিয়ে মুঠোফোনে কথা হয় মধ্যপাড়া রেঞ্জ কর্মকর্তা আল আমিন এর সাথে।তিনি বলেন,ভবানী শংকর রায়ের আবেদনের প্রেক্ষিতে যাচাই-বাছাই করে তাদের মালিকানা জমিতে গাছগুলো থাকায় তাদেরকে কাটার অনুমতি প্রদান করা হয়েছে।সে ক্ষেত্রে মালিকানা জমির গাছ হয়ে থাকে চেয়ারম্যানকে কেন পার্সেন্টেজ দিতে হলো?আর যদি গাছগুলো ইউনিয়ন পরিষদের রাস্তার হয়ে থাকে তাহলে টেন্ডার ছাড়াই কেন কাটা হলো?এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান নাবিউল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান,ব্যক্তিগত কমিশন তো নয়!ওই কমিশনের টাকা ইউনিয়ন পরিষদের ফান্ডে জমা হয়েছে।আমি কেন গাছ কাটতে বলবো বা বাধা দিব?তারা বন বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করে গাছগুলো কেটেছেন।পরবর্তীতে বন বিভাগের আদেশেই ওই টাকাগুলো আমি ইউনিয়ন পরিষদের ফান্ডে জমা করেছি।
০৪ অক্টোবর ২০২৫

মানবিক করিডর না ভূ-রাজনৈতিক কৌশল? সীমান্তে যুক্তরাষ্ট্রের তৎপরতায় উদ্বেগ

সাম্প্রতিক সময়ে মিয়ানমার সীমান্ত ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক ও সামরিক তৎপরতা এবং আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদলের সফর ও মতবিনিময় মানবিক করিডর নিয়ে নতুন প্রশ্ন ও উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। এই করিডরের প্রস্তাবকে মানবিক প্রয়াস হিসেবে তুলে ধরা হলেও বাস্তবে এর আড়ালে ‘ভিন্নমুখী কৌশলগত’ উদ্দেশ্য বিদ্যমান বলে মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক।তাঁদের মতে, রাখাইনে আরাকান আর্মি ও পিপলস ডিফেন্স ফোর্সকে গোপনে সমর্থন দিয়ে চীনের প্রভাব কমাতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। আরাকান অঞ্চলের ভেতরে চীনের কৌশলগত বিনিয়োগ যেমন— কিউকফিউ গভীর সমুদ্র বন্দর ও তেল-গ্যাস পাইপলাইনসহ অন্যান্য প্রকল্পগুলো যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিতে প্রতিযোগিতামূলক এবং উদ্বেগজনক। এমন প্রেক্ষাপটে রাখাইনে ‘হিউম্যানিটারিয়ান করিডর’ বা মানবিক করিডর বাস্তবায়নের নামে প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তিকে চাপে ফেলতে চাইতে পারে ওয়াশিংটন।
০২ মে ২০২৫

টাকা দিয়ে নারীর চাবুকের ঘা খাচ্ছিলেন পুরুষ, দুজন গ্রেপ্তার

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে ‘ফেমডম সেশনের’ নামে নির্যাতন ও পর্নোগ্রাফি প্রচারের অভিযোগে দুই নারীকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপির ভাটারা থানা-পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন শিখা আক্তার (২৫) ও সুইটি আক্তার জারা (২৫)।আজ বৃহস্পতিবার ভোরে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার জি-ব্লকের একটি বাসায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান। তিনি বলেন, এ সময় তাঁদের হেফাজত থেকে ‘বিকৃত’ যৌনকাজে ব্যবহৃত একটি চাবুক, পরিধেয় বিশেষ পোশাক, হাই হিল, বুট জুতা ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
০২ মে ২০২৫
অভিযোগ ঘিরে বিতর্ক: খোকসা থানার ওসির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ, তদন্তের দাবি

অভিযোগ ঘিরে বিতর্ক: খোকসা থানার ওসির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ, তদন্তের দাবি

কুষ্টিয়ার খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোতালেব হোসেন এর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া চাঁদাবাজির অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও পরিকল্পিত অপপ্রচার বলে দাবি করেছেন তিনি। সংশ্লিষ্ট মহল বলছে, একটি চলমান তদন্তকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতেই এ ধরনের প্রচারণা চালানো হতে পারে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ডিসেম্বরের শেষদিকে শিমুলিয়া ইউনিয়নের এক জনপ্রতিনিধির কাছে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির মাধ্যমে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। বিষয়টি থানায় অবগত হলে ওসি মোতালেব হোসেন তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেন। তদন্তের স্বার্থে কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগ ও প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।ওসি মোতালেব হোসেন বলেন,“আমি দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে চাঁদাবাজির অভিযোগের তদন্তে নেমেছিলাম। তদন্তের সময় কিছু তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়। এরপর থেকেই একটি মহল আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াতে শুরু করে।”তিনি দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে ল্যাপটপ চাওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ অসত্য।“আমি কোনো ব্যক্তির কাছে ব্যক্তিগতভাবে ল্যাপটপ বা অর্থ দাবি করিনি। এটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ছড়ানো হয়েছে,” যোগ করেন তিনি।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার ও পাল্টা বক্তব্য অভিযোগ ওঠার পর এক ব্যবসায়ী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ট্যাটাস দিয়ে ওসির বিচার দাবি করেন। তবে পরে সেটি সরিয়ে নেওয়া হয়। এ বিষয়ে ওসি বলেন, “কেউ যদি মনে করেন তিনি হুমকির মুখে, তাহলে আইনগত সহায়তা নেওয়ার সুযোগ খোলা আছে। কিন্তু ফেসবুকে একতরফা অভিযোগ দিয়ে প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা সমাধান নয়।”স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, বিষয়টি ব্যক্তিগত ভুল বোঝাবুঝি বা তদন্ত-সংক্রান্ত অসন্তোষের ফল হতে পারে। যদিও অভিযোগকারী পক্ষ নিজেদের দাবিতে অনড়।পুলিশ সুপারের অবস্থান কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে তা নিয়ম অনুযায়ী তদন্ত করা হবে।“বাংলাদেশ পুলিশ সবসময় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার নীতিতে বিশ্বাস করে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে, আর মিথ্যা প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”তিনি আরও বলেন, তদন্ত ছাড়া কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সমীচীন নয়খোকসা থানায় যোগদানের পর ওসি মোতালেব হোসেন মাদকবিরোধী অভিযান, চুরি-ডাকাতি প্রতিরোধ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে বেশ কয়েকটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন বলে স্থানীয়রা জানান। থানার তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক মাদকবিরোধী অভিযান ও ওয়ারেন্ট তামিল কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।কিছু সচেতন নাগরিকের মতে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর অবস্থান নেওয়ায় একটি স্বার্থান্বেষী মহল অসন্তুষ্ট হয়ে অপপ্রচার চালাতে পারে।বিশ্লেষকরা বলছেন, অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের এই পরিস্থিতিতে নিরপেক্ষ তদন্তই হতে পারে একমাত্র সমাধান। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হলে একদিকে যেমন প্রশাসনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে অযাচিত বিভ্রান্তিরও অবসান ঘটবে।
০১ মার্চ ২০২৬
সারাদেশ

সারাদেশ

সারাদেশ

সারাদেশ

প্রকৌশলী বদরুল আলম খানের বিরুদ্ধে  অপপ্রচার

প্রকৌশলী বদরুল আলম খানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেশাগত প্রজ্ঞা, স্বচ্ছতা ও প্রশাসনিক দৃঢ়তার কাছে বারবার পরাস্ত হয়ে অবশেষে নীতি-নৈতিকতার সব সীমা অতিক্রম করেছে এক অশুভ কুচক্রী মহল। গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঢাকা গণপূর্ত সার্কেল-১-এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ বদরুল আলম খানের সুদীর্ঘ কর্মময় জীবনে বিন্দুমাত্র অনিয়ম বা দুর্নীতির আঁচড় কাটতে না পেরে, একপর্যায়ে চরম দেউলিয়া হয়ে তাঁর একান্ত ব্যক্তিগত জীবনকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে একটি স্বার্থান্বেষী সিন্ডিকেট।অনুসন্ধানে জানা যায়, সুদীর্ঘ ২৫টি বছর ধরে বৈবাহিক জীবনের আড়ালে প্রথম স্ত্রীর অবর্ণনীয় মানসিক নিপীড়ন ও নিঃশব্দ নির্যাতন সহ্য করে আসছিলেন প্রকৌশলী বদরুল আলম খান। একের পর এক ঝড়ের মুখোমুখি হয়ে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলেও, তিনি সংকট নিরসনে সর্বোচ্চ ধৈর্য প্রদর্শন করেন। প্রকৌশলী নিজে এবং তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে বারবার সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা কোনো পাত্তাই পায়নি। এমনকি প্রথম স্ত্রীর বড় ভাই ও বড় মামা একাধিকবার আলোচনার দিনক্ষণ নির্ধারণ করেও পরবর্তীতে রহস্যজনকভাবে কেটে পড়েন।এ বিষয়ে ওই প্রকৌশলী ও তাঁর প্রতিবেশীদের মনস্তাত্ত্বিক অভিজ্ঞতার কথা উঠে আসে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রত্যক্ষদর্শী প্রতিবেশীর মুখে। তিনি  বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে তিনি যে চরম পারিবারিক নিগ্রহের শিকার তা আমাদের চোখের সামনেই ঘটেছে। প্রতিবেশী হিসেবে আমরা বারবার চেষ্টা করেছি সংসারটিতে ইতিবাচক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে, কিন্তু তা সম্ভব হয়নি।”অবশেষে দীর্ঘ চড়াই-উৎরাইয়ের পর, সর্বপ্রকার ধর্মীয় বিধান ও রাষ্ট্রীয় আইনের শতভাগ প্রতিপালন নিশ্চিত করে প্রথম স্ত্রীকে আইনানুযায়ী চূড়ান্ত তালাকের নোটিশ প্রদান করার পূর্বে পারিবারিক সম্মতি ও সামাজিক মর্যাদার পূর্ণ আইনি সুরক্ষায় নতুন করে জীবন শুরুর লক্ষ্যে তিনি দ্বিতীয়বার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন যা সম্পূর্ণ বৈধ, স্বাভাবিক এবং একটি চূড়ান্ত পারিবারিক সিদ্ধান্ত।কিন্তু বিপত্তি ঘটে এখানেই। আইনি তালাক নোটিশ হাতে পাওয়ার পর, চরম ব্যক্তিগত আক্রোশ ও প্রতিহিংসাপরায়ণ মানসিকতা থেকে প্রথম স্ত্রী তাঁদের অতীত ও সামাজিক যোগাযোগের একান্ত পারিবারিক ছবিগুলোকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করেন। ছবিগুলো বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীর দ্বারে দ্বারে পৌঁছে দিয়ে এবং অসত্য ও বিকৃত তথ্যের লেপন দিয়ে এই প্রকৌশলীর সামাজিক ও পেশাগত সম্মান ধূলায় মিশিয়ে দেওয়ার এক হীন চক্রান্তে মেতে ওঠা হয়। কর্মক্ষেত্রে যাঁকে দমানো যায়নি, তাঁকে সামাজিকভাবে কোণঠাসা করতেই এই রূপকথার ভুয়া ‘স্ক্যান্ডাল’ ও গুজব ছড়িয়েছে একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট আদা জল খেয়েই। পরিবারের এমন টানাপোড়েন এবং চক্রান্ত প্রসঙ্গে গভীর মর্মবেদনা ব্যক্ত করে প্রকৌশলীর বোন বলেন, “কোয়ার্টার সেঞ্চুরি অর্থাৎ দীর্ঘ ২৫ বছর একটি ছাদের নিচে থেকেও আমরা বড় ভাবির কাছে ন্যূনতম ভালোবাসা, সহানুভূতি বা শ্রদ্ধাবোধ পাইনি। বিপরীতে, অল্প দিনেই ছোট ভাবির আন্তরিকতা, ইতিবাচক মনোভাব এবং শালীনতা আমাদের গোটা পরিবারে এক চরম আস্থা ও ভালোবাসার জায়গা তৈরি করেছে।
২৮ জুলাই ২০২৬
সারাদেশ

সারাদেশ

প্রকৌশলী বদরুল আলম খানের বিরুদ্ধে  অপপ্রচার

প্রকৌশলী বদরুল আলম খানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেশাগত প্রজ্ঞা, স্বচ্ছতা ও প্রশাসনিক দৃঢ়তার কাছে বারবার পরাস্ত হয়ে অবশেষে নীতি-নৈতিকতার সব সীমা অতিক্রম করেছে এক অশুভ কুচক্রী মহল। গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঢাকা গণপূর্ত সার্কেল-১-এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ বদরুল আলম খানের সুদীর্ঘ কর্মময় জীবনে বিন্দুমাত্র অনিয়ম বা দুর্নীতির আঁচড় কাটতে না পেরে, একপর্যায়ে চরম দেউলিয়া হয়ে তাঁর একান্ত ব্যক্তিগত জীবনকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে একটি স্বার্থান্বেষী সিন্ডিকেট।অনুসন্ধানে জানা যায়, সুদীর্ঘ ২৫টি বছর ধরে বৈবাহিক জীবনের আড়ালে প্রথম স্ত্রীর অবর্ণনীয় মানসিক নিপীড়ন ও নিঃশব্দ নির্যাতন সহ্য করে আসছিলেন প্রকৌশলী বদরুল আলম খান। একের পর এক ঝড়ের মুখোমুখি হয়ে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলেও, তিনি সংকট নিরসনে সর্বোচ্চ ধৈর্য প্রদর্শন করেন। প্রকৌশলী নিজে এবং তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে বারবার সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা কোনো পাত্তাই পায়নি। এমনকি প্রথম স্ত্রীর বড় ভাই ও বড় মামা একাধিকবার আলোচনার দিনক্ষণ নির্ধারণ করেও পরবর্তীতে রহস্যজনকভাবে কেটে পড়েন।এ বিষয়ে ওই প্রকৌশলী ও তাঁর প্রতিবেশীদের মনস্তাত্ত্বিক অভিজ্ঞতার কথা উঠে আসে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রত্যক্ষদর্শী প্রতিবেশীর মুখে। তিনি  বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে তিনি যে চরম পারিবারিক নিগ্রহের শিকার তা আমাদের চোখের সামনেই ঘটেছে। প্রতিবেশী হিসেবে আমরা বারবার চেষ্টা করেছি সংসারটিতে ইতিবাচক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে, কিন্তু তা সম্ভব হয়নি।”অবশেষে দীর্ঘ চড়াই-উৎরাইয়ের পর, সর্বপ্রকার ধর্মীয় বিধান ও রাষ্ট্রীয় আইনের শতভাগ প্রতিপালন নিশ্চিত করে প্রথম স্ত্রীকে আইনানুযায়ী চূড়ান্ত তালাকের নোটিশ প্রদান করার পূর্বে পারিবারিক সম্মতি ও সামাজিক মর্যাদার পূর্ণ আইনি সুরক্ষায় নতুন করে জীবন শুরুর লক্ষ্যে তিনি দ্বিতীয়বার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন যা সম্পূর্ণ বৈধ, স্বাভাবিক এবং একটি চূড়ান্ত পারিবারিক সিদ্ধান্ত।কিন্তু বিপত্তি ঘটে এখানেই। আইনি তালাক নোটিশ হাতে পাওয়ার পর, চরম ব্যক্তিগত আক্রোশ ও প্রতিহিংসাপরায়ণ মানসিকতা থেকে প্রথম স্ত্রী তাঁদের অতীত ও সামাজিক যোগাযোগের একান্ত পারিবারিক ছবিগুলোকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করেন। ছবিগুলো বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীর দ্বারে দ্বারে পৌঁছে দিয়ে এবং অসত্য ও বিকৃত তথ্যের লেপন দিয়ে এই প্রকৌশলীর সামাজিক ও পেশাগত সম্মান ধূলায় মিশিয়ে দেওয়ার এক হীন চক্রান্তে মেতে ওঠা হয়। কর্মক্ষেত্রে যাঁকে দমানো যায়নি, তাঁকে সামাজিকভাবে কোণঠাসা করতেই এই রূপকথার ভুয়া ‘স্ক্যান্ডাল’ ও গুজব ছড়িয়েছে একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট আদা জল খেয়েই। পরিবারের এমন টানাপোড়েন এবং চক্রান্ত প্রসঙ্গে গভীর মর্মবেদনা ব্যক্ত করে প্রকৌশলীর বোন বলেন, “কোয়ার্টার সেঞ্চুরি অর্থাৎ দীর্ঘ ২৫ বছর একটি ছাদের নিচে থেকেও আমরা বড় ভাবির কাছে ন্যূনতম ভালোবাসা, সহানুভূতি বা শ্রদ্ধাবোধ পাইনি। বিপরীতে, অল্প দিনেই ছোট ভাবির আন্তরিকতা, ইতিবাচক মনোভাব এবং শালীনতা আমাদের গোটা পরিবারে এক চরম আস্থা ও ভালোবাসার জায়গা তৈরি করেছে।
২৮ জুলাই ২০২৬
অনলাইন জরিপ

অনলাইন জরিপ

১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
সারাদেশ

সারাদেশ

প্রকৌশলী বদরুল আলম খানের বিরুদ্ধে  অপপ্রচার

প্রকৌশলী বদরুল আলম খানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেশাগত প্রজ্ঞা, স্বচ্ছতা ও প্রশাসনিক দৃঢ়তার কাছে বারবার পরাস্ত হয়ে অবশেষে নীতি-নৈতিকতার সব সীমা অতিক্রম করেছে এক অশুভ কুচক্রী মহল। গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঢাকা গণপূর্ত সার্কেল-১-এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ বদরুল আলম খানের সুদীর্ঘ কর্মময় জীবনে বিন্দুমাত্র অনিয়ম বা দুর্নীতির আঁচড় কাটতে না পেরে, একপর্যায়ে চরম দেউলিয়া হয়ে তাঁর একান্ত ব্যক্তিগত জীবনকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে একটি স্বার্থান্বেষী সিন্ডিকেট।অনুসন্ধানে জানা যায়, সুদীর্ঘ ২৫টি বছর ধরে বৈবাহিক জীবনের আড়ালে প্রথম স্ত্রীর অবর্ণনীয় মানসিক নিপীড়ন ও নিঃশব্দ নির্যাতন সহ্য করে আসছিলেন প্রকৌশলী বদরুল আলম খান। একের পর এক ঝড়ের মুখোমুখি হয়ে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলেও, তিনি সংকট নিরসনে সর্বোচ্চ ধৈর্য প্রদর্শন করেন। প্রকৌশলী নিজে এবং তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে বারবার সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা কোনো পাত্তাই পায়নি। এমনকি প্রথম স্ত্রীর বড় ভাই ও বড় মামা একাধিকবার আলোচনার দিনক্ষণ নির্ধারণ করেও পরবর্তীতে রহস্যজনকভাবে কেটে পড়েন।এ বিষয়ে ওই প্রকৌশলী ও তাঁর প্রতিবেশীদের মনস্তাত্ত্বিক অভিজ্ঞতার কথা উঠে আসে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রত্যক্ষদর্শী প্রতিবেশীর মুখে। তিনি  বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে তিনি যে চরম পারিবারিক নিগ্রহের শিকার তা আমাদের চোখের সামনেই ঘটেছে। প্রতিবেশী হিসেবে আমরা বারবার চেষ্টা করেছি সংসারটিতে ইতিবাচক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে, কিন্তু তা সম্ভব হয়নি।”অবশেষে দীর্ঘ চড়াই-উৎরাইয়ের পর, সর্বপ্রকার ধর্মীয় বিধান ও রাষ্ট্রীয় আইনের শতভাগ প্রতিপালন নিশ্চিত করে প্রথম স্ত্রীকে আইনানুযায়ী চূড়ান্ত তালাকের নোটিশ প্রদান করার পূর্বে পারিবারিক সম্মতি ও সামাজিক মর্যাদার পূর্ণ আইনি সুরক্ষায় নতুন করে জীবন শুরুর লক্ষ্যে তিনি দ্বিতীয়বার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন যা সম্পূর্ণ বৈধ, স্বাভাবিক এবং একটি চূড়ান্ত পারিবারিক সিদ্ধান্ত।কিন্তু বিপত্তি ঘটে এখানেই। আইনি তালাক নোটিশ হাতে পাওয়ার পর, চরম ব্যক্তিগত আক্রোশ ও প্রতিহিংসাপরায়ণ মানসিকতা থেকে প্রথম স্ত্রী তাঁদের অতীত ও সামাজিক যোগাযোগের একান্ত পারিবারিক ছবিগুলোকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করেন। ছবিগুলো বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীর দ্বারে দ্বারে পৌঁছে দিয়ে এবং অসত্য ও বিকৃত তথ্যের লেপন দিয়ে এই প্রকৌশলীর সামাজিক ও পেশাগত সম্মান ধূলায় মিশিয়ে দেওয়ার এক হীন চক্রান্তে মেতে ওঠা হয়। কর্মক্ষেত্রে যাঁকে দমানো যায়নি, তাঁকে সামাজিকভাবে কোণঠাসা করতেই এই রূপকথার ভুয়া ‘স্ক্যান্ডাল’ ও গুজব ছড়িয়েছে একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট আদা জল খেয়েই। পরিবারের এমন টানাপোড়েন এবং চক্রান্ত প্রসঙ্গে গভীর মর্মবেদনা ব্যক্ত করে প্রকৌশলীর বোন বলেন, “কোয়ার্টার সেঞ্চুরি অর্থাৎ দীর্ঘ ২৫ বছর একটি ছাদের নিচে থেকেও আমরা বড় ভাবির কাছে ন্যূনতম ভালোবাসা, সহানুভূতি বা শ্রদ্ধাবোধ পাইনি। বিপরীতে, অল্প দিনেই ছোট ভাবির আন্তরিকতা, ইতিবাচক মনোভাব এবং শালীনতা আমাদের গোটা পরিবারে এক চরম আস্থা ও ভালোবাসার জায়গা তৈরি করেছে।
২৮ জুলাই ২০২৬
ওয়েব স্টোরি

ওয়েব স্টোরি

সারাদেশ

সারাদেশ

প্রকৌশলী বদরুল আলম খানের বিরুদ্ধে  অপপ্রচার

প্রকৌশলী বদরুল আলম খানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেশাগত প্রজ্ঞা, স্বচ্ছতা ও প্রশাসনিক দৃঢ়তার কাছে বারবার পরাস্ত হয়ে অবশেষে নীতি-নৈতিকতার সব সীমা অতিক্রম করেছে এক অশুভ কুচক্রী মহল। গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঢাকা গণপূর্ত সার্কেল-১-এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ বদরুল আলম খানের সুদীর্ঘ কর্মময় জীবনে বিন্দুমাত্র অনিয়ম বা দুর্নীতির আঁচড় কাটতে না পেরে, একপর্যায়ে চরম দেউলিয়া হয়ে তাঁর একান্ত ব্যক্তিগত জীবনকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে একটি স্বার্থান্বেষী সিন্ডিকেট।অনুসন্ধানে জানা যায়, সুদীর্ঘ ২৫টি বছর ধরে বৈবাহিক জীবনের আড়ালে প্রথম স্ত্রীর অবর্ণনীয় মানসিক নিপীড়ন ও নিঃশব্দ নির্যাতন সহ্য করে আসছিলেন প্রকৌশলী বদরুল আলম খান। একের পর এক ঝড়ের মুখোমুখি হয়ে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলেও, তিনি সংকট নিরসনে সর্বোচ্চ ধৈর্য প্রদর্শন করেন। প্রকৌশলী নিজে এবং তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে বারবার সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা কোনো পাত্তাই পায়নি। এমনকি প্রথম স্ত্রীর বড় ভাই ও বড় মামা একাধিকবার আলোচনার দিনক্ষণ নির্ধারণ করেও পরবর্তীতে রহস্যজনকভাবে কেটে পড়েন।এ বিষয়ে ওই প্রকৌশলী ও তাঁর প্রতিবেশীদের মনস্তাত্ত্বিক অভিজ্ঞতার কথা উঠে আসে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রত্যক্ষদর্শী প্রতিবেশীর মুখে। তিনি  বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে তিনি যে চরম পারিবারিক নিগ্রহের শিকার তা আমাদের চোখের সামনেই ঘটেছে। প্রতিবেশী হিসেবে আমরা বারবার চেষ্টা করেছি সংসারটিতে ইতিবাচক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে, কিন্তু তা সম্ভব হয়নি।”অবশেষে দীর্ঘ চড়াই-উৎরাইয়ের পর, সর্বপ্রকার ধর্মীয় বিধান ও রাষ্ট্রীয় আইনের শতভাগ প্রতিপালন নিশ্চিত করে প্রথম স্ত্রীকে আইনানুযায়ী চূড়ান্ত তালাকের নোটিশ প্রদান করার পূর্বে পারিবারিক সম্মতি ও সামাজিক মর্যাদার পূর্ণ আইনি সুরক্ষায় নতুন করে জীবন শুরুর লক্ষ্যে তিনি দ্বিতীয়বার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন যা সম্পূর্ণ বৈধ, স্বাভাবিক এবং একটি চূড়ান্ত পারিবারিক সিদ্ধান্ত।কিন্তু বিপত্তি ঘটে এখানেই। আইনি তালাক নোটিশ হাতে পাওয়ার পর, চরম ব্যক্তিগত আক্রোশ ও প্রতিহিংসাপরায়ণ মানসিকতা থেকে প্রথম স্ত্রী তাঁদের অতীত ও সামাজিক যোগাযোগের একান্ত পারিবারিক ছবিগুলোকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করেন। ছবিগুলো বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীর দ্বারে দ্বারে পৌঁছে দিয়ে এবং অসত্য ও বিকৃত তথ্যের লেপন দিয়ে এই প্রকৌশলীর সামাজিক ও পেশাগত সম্মান ধূলায় মিশিয়ে দেওয়ার এক হীন চক্রান্তে মেতে ওঠা হয়। কর্মক্ষেত্রে যাঁকে দমানো যায়নি, তাঁকে সামাজিকভাবে কোণঠাসা করতেই এই রূপকথার ভুয়া ‘স্ক্যান্ডাল’ ও গুজব ছড়িয়েছে একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট আদা জল খেয়েই। পরিবারের এমন টানাপোড়েন এবং চক্রান্ত প্রসঙ্গে গভীর মর্মবেদনা ব্যক্ত করে প্রকৌশলীর বোন বলেন, “কোয়ার্টার সেঞ্চুরি অর্থাৎ দীর্ঘ ২৫ বছর একটি ছাদের নিচে থেকেও আমরা বড় ভাবির কাছে ন্যূনতম ভালোবাসা, সহানুভূতি বা শ্রদ্ধাবোধ পাইনি। বিপরীতে, অল্প দিনেই ছোট ভাবির আন্তরিকতা, ইতিবাচক মনোভাব এবং শালীনতা আমাদের গোটা পরিবারে এক চরম আস্থা ও ভালোবাসার জায়গা তৈরি করেছে।
০২ মে ২০২৫
কুমিল্লার মুরাদনগর–কোম্পানীগঞ্জ এলাকায় আতঙ্ক, স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ

কুমিল্লার মুরাদনগর–কোম্পানীগঞ্জ এলাকায় আতঙ্ক, স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ

০২ মে ২০২৫
সারাদেশ

সারাদেশ

প্রকৌশলী বদরুল আলম খানের বিরুদ্ধে  অপপ্রচার

প্রকৌশলী বদরুল আলম খানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেশাগত প্রজ্ঞা, স্বচ্ছতা ও প্রশাসনিক দৃঢ়তার কাছে বারবার পরাস্ত হয়ে অবশেষে নীতি-নৈতিকতার সব সীমা অতিক্রম করেছে এক অশুভ কুচক্রী মহল। গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঢাকা গণপূর্ত সার্কেল-১-এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ বদরুল আলম খানের সুদীর্ঘ কর্মময় জীবনে বিন্দুমাত্র অনিয়ম বা দুর্নীতির আঁচড় কাটতে না পেরে, একপর্যায়ে চরম দেউলিয়া হয়ে তাঁর একান্ত ব্যক্তিগত জীবনকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে একটি স্বার্থান্বেষী সিন্ডিকেট।অনুসন্ধানে জানা যায়, সুদীর্ঘ ২৫টি বছর ধরে বৈবাহিক জীবনের আড়ালে প্রথম স্ত্রীর অবর্ণনীয় মানসিক নিপীড়ন ও নিঃশব্দ নির্যাতন সহ্য করে আসছিলেন প্রকৌশলী বদরুল আলম খান। একের পর এক ঝড়ের মুখোমুখি হয়ে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলেও, তিনি সংকট নিরসনে সর্বোচ্চ ধৈর্য প্রদর্শন করেন। প্রকৌশলী নিজে এবং তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে বারবার সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা কোনো পাত্তাই পায়নি। এমনকি প্রথম স্ত্রীর বড় ভাই ও বড় মামা একাধিকবার আলোচনার দিনক্ষণ নির্ধারণ করেও পরবর্তীতে রহস্যজনকভাবে কেটে পড়েন।এ বিষয়ে ওই প্রকৌশলী ও তাঁর প্রতিবেশীদের মনস্তাত্ত্বিক অভিজ্ঞতার কথা উঠে আসে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রত্যক্ষদর্শী প্রতিবেশীর মুখে। তিনি  বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে তিনি যে চরম পারিবারিক নিগ্রহের শিকার তা আমাদের চোখের সামনেই ঘটেছে। প্রতিবেশী হিসেবে আমরা বারবার চেষ্টা করেছি সংসারটিতে ইতিবাচক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে, কিন্তু তা সম্ভব হয়নি।”অবশেষে দীর্ঘ চড়াই-উৎরাইয়ের পর, সর্বপ্রকার ধর্মীয় বিধান ও রাষ্ট্রীয় আইনের শতভাগ প্রতিপালন নিশ্চিত করে প্রথম স্ত্রীকে আইনানুযায়ী চূড়ান্ত তালাকের নোটিশ প্রদান করার পূর্বে পারিবারিক সম্মতি ও সামাজিক মর্যাদার পূর্ণ আইনি সুরক্ষায় নতুন করে জীবন শুরুর লক্ষ্যে তিনি দ্বিতীয়বার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন যা সম্পূর্ণ বৈধ, স্বাভাবিক এবং একটি চূড়ান্ত পারিবারিক সিদ্ধান্ত।কিন্তু বিপত্তি ঘটে এখানেই। আইনি তালাক নোটিশ হাতে পাওয়ার পর, চরম ব্যক্তিগত আক্রোশ ও প্রতিহিংসাপরায়ণ মানসিকতা থেকে প্রথম স্ত্রী তাঁদের অতীত ও সামাজিক যোগাযোগের একান্ত পারিবারিক ছবিগুলোকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করেন। ছবিগুলো বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীর দ্বারে দ্বারে পৌঁছে দিয়ে এবং অসত্য ও বিকৃত তথ্যের লেপন দিয়ে এই প্রকৌশলীর সামাজিক ও পেশাগত সম্মান ধূলায় মিশিয়ে দেওয়ার এক হীন চক্রান্তে মেতে ওঠা হয়। কর্মক্ষেত্রে যাঁকে দমানো যায়নি, তাঁকে সামাজিকভাবে কোণঠাসা করতেই এই রূপকথার ভুয়া ‘স্ক্যান্ডাল’ ও গুজব ছড়িয়েছে একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট আদা জল খেয়েই। পরিবারের এমন টানাপোড়েন এবং চক্রান্ত প্রসঙ্গে গভীর মর্মবেদনা ব্যক্ত করে প্রকৌশলীর বোন বলেন, “কোয়ার্টার সেঞ্চুরি অর্থাৎ দীর্ঘ ২৫ বছর একটি ছাদের নিচে থেকেও আমরা বড় ভাবির কাছে ন্যূনতম ভালোবাসা, সহানুভূতি বা শ্রদ্ধাবোধ পাইনি। বিপরীতে, অল্প দিনেই ছোট ভাবির আন্তরিকতা, ইতিবাচক মনোভাব এবং শালীনতা আমাদের গোটা পরিবারে এক চরম আস্থা ও ভালোবাসার জায়গা তৈরি করেছে।
২৮ জুলাই ২০২৬
সারাদেশ

সারাদেশ

প্রকৌশলী বদরুল আলম খানের বিরুদ্ধে  অপপ্রচার

প্রকৌশলী বদরুল আলম খানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেশাগত প্রজ্ঞা, স্বচ্ছতা ও প্রশাসনিক দৃঢ়তার কাছে বারবার পরাস্ত হয়ে অবশেষে নীতি-নৈতিকতার সব সীমা অতিক্রম করেছে এক অশুভ কুচক্রী মহল। গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঢাকা গণপূর্ত সার্কেল-১-এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ বদরুল আলম খানের সুদীর্ঘ কর্মময় জীবনে বিন্দুমাত্র অনিয়ম বা দুর্নীতির আঁচড় কাটতে না পেরে, একপর্যায়ে চরম দেউলিয়া হয়ে তাঁর একান্ত ব্যক্তিগত জীবনকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে একটি স্বার্থান্বেষী সিন্ডিকেট।অনুসন্ধানে জানা যায়, সুদীর্ঘ ২৫টি বছর ধরে বৈবাহিক জীবনের আড়ালে প্রথম স্ত্রীর অবর্ণনীয় মানসিক নিপীড়ন ও নিঃশব্দ নির্যাতন সহ্য করে আসছিলেন প্রকৌশলী বদরুল আলম খান। একের পর এক ঝড়ের মুখোমুখি হয়ে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলেও, তিনি সংকট নিরসনে সর্বোচ্চ ধৈর্য প্রদর্শন করেন। প্রকৌশলী নিজে এবং তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে বারবার সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা কোনো পাত্তাই পায়নি। এমনকি প্রথম স্ত্রীর বড় ভাই ও বড় মামা একাধিকবার আলোচনার দিনক্ষণ নির্ধারণ করেও পরবর্তীতে রহস্যজনকভাবে কেটে পড়েন।এ বিষয়ে ওই প্রকৌশলী ও তাঁর প্রতিবেশীদের মনস্তাত্ত্বিক অভিজ্ঞতার কথা উঠে আসে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রত্যক্ষদর্শী প্রতিবেশীর মুখে। তিনি  বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে তিনি যে চরম পারিবারিক নিগ্রহের শিকার তা আমাদের চোখের সামনেই ঘটেছে। প্রতিবেশী হিসেবে আমরা বারবার চেষ্টা করেছি সংসারটিতে ইতিবাচক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে, কিন্তু তা সম্ভব হয়নি।”অবশেষে দীর্ঘ চড়াই-উৎরাইয়ের পর, সর্বপ্রকার ধর্মীয় বিধান ও রাষ্ট্রীয় আইনের শতভাগ প্রতিপালন নিশ্চিত করে প্রথম স্ত্রীকে আইনানুযায়ী চূড়ান্ত তালাকের নোটিশ প্রদান করার পূর্বে পারিবারিক সম্মতি ও সামাজিক মর্যাদার পূর্ণ আইনি সুরক্ষায় নতুন করে জীবন শুরুর লক্ষ্যে তিনি দ্বিতীয়বার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন যা সম্পূর্ণ বৈধ, স্বাভাবিক এবং একটি চূড়ান্ত পারিবারিক সিদ্ধান্ত।কিন্তু বিপত্তি ঘটে এখানেই। আইনি তালাক নোটিশ হাতে পাওয়ার পর, চরম ব্যক্তিগত আক্রোশ ও প্রতিহিংসাপরায়ণ মানসিকতা থেকে প্রথম স্ত্রী তাঁদের অতীত ও সামাজিক যোগাযোগের একান্ত পারিবারিক ছবিগুলোকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করেন। ছবিগুলো বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীর দ্বারে দ্বারে পৌঁছে দিয়ে এবং অসত্য ও বিকৃত তথ্যের লেপন দিয়ে এই প্রকৌশলীর সামাজিক ও পেশাগত সম্মান ধূলায় মিশিয়ে দেওয়ার এক হীন চক্রান্তে মেতে ওঠা হয়। কর্মক্ষেত্রে যাঁকে দমানো যায়নি, তাঁকে সামাজিকভাবে কোণঠাসা করতেই এই রূপকথার ভুয়া ‘স্ক্যান্ডাল’ ও গুজব ছড়িয়েছে একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট আদা জল খেয়েই। পরিবারের এমন টানাপোড়েন এবং চক্রান্ত প্রসঙ্গে গভীর মর্মবেদনা ব্যক্ত করে প্রকৌশলীর বোন বলেন, “কোয়ার্টার সেঞ্চুরি অর্থাৎ দীর্ঘ ২৫ বছর একটি ছাদের নিচে থেকেও আমরা বড় ভাবির কাছে ন্যূনতম ভালোবাসা, সহানুভূতি বা শ্রদ্ধাবোধ পাইনি। বিপরীতে, অল্প দিনেই ছোট ভাবির আন্তরিকতা, ইতিবাচক মনোভাব এবং শালীনতা আমাদের গোটা পরিবারে এক চরম আস্থা ও ভালোবাসার জায়গা তৈরি করেছে।
০২ মে ২০২৫
সারাদেশ

সারাদেশ

প্রকৌশলী বদরুল আলম খানের বিরুদ্ধে  অপপ্রচার

প্রকৌশলী বদরুল আলম খানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেশাগত প্রজ্ঞা, স্বচ্ছতা ও প্রশাসনিক দৃঢ়তার কাছে বারবার পরাস্ত হয়ে অবশেষে নীতি-নৈতিকতার সব সীমা অতিক্রম করেছে এক অশুভ কুচক্রী মহল। গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঢাকা গণপূর্ত সার্কেল-১-এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ বদরুল আলম খানের সুদীর্ঘ কর্মময় জীবনে বিন্দুমাত্র অনিয়ম বা দুর্নীতির আঁচড় কাটতে না পেরে, একপর্যায়ে চরম দেউলিয়া হয়ে তাঁর একান্ত ব্যক্তিগত জীবনকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে একটি স্বার্থান্বেষী সিন্ডিকেট।অনুসন্ধানে জানা যায়, সুদীর্ঘ ২৫টি বছর ধরে বৈবাহিক জীবনের আড়ালে প্রথম স্ত্রীর অবর্ণনীয় মানসিক নিপীড়ন ও নিঃশব্দ নির্যাতন সহ্য করে আসছিলেন প্রকৌশলী বদরুল আলম খান। একের পর এক ঝড়ের মুখোমুখি হয়ে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলেও, তিনি সংকট নিরসনে সর্বোচ্চ ধৈর্য প্রদর্শন করেন। প্রকৌশলী নিজে এবং তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে বারবার সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা কোনো পাত্তাই পায়নি। এমনকি প্রথম স্ত্রীর বড় ভাই ও বড় মামা একাধিকবার আলোচনার দিনক্ষণ নির্ধারণ করেও পরবর্তীতে রহস্যজনকভাবে কেটে পড়েন।এ বিষয়ে ওই প্রকৌশলী ও তাঁর প্রতিবেশীদের মনস্তাত্ত্বিক অভিজ্ঞতার কথা উঠে আসে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রত্যক্ষদর্শী প্রতিবেশীর মুখে। তিনি  বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে তিনি যে চরম পারিবারিক নিগ্রহের শিকার তা আমাদের চোখের সামনেই ঘটেছে। প্রতিবেশী হিসেবে আমরা বারবার চেষ্টা করেছি সংসারটিতে ইতিবাচক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে, কিন্তু তা সম্ভব হয়নি।”অবশেষে দীর্ঘ চড়াই-উৎরাইয়ের পর, সর্বপ্রকার ধর্মীয় বিধান ও রাষ্ট্রীয় আইনের শতভাগ প্রতিপালন নিশ্চিত করে প্রথম স্ত্রীকে আইনানুযায়ী চূড়ান্ত তালাকের নোটিশ প্রদান করার পূর্বে পারিবারিক সম্মতি ও সামাজিক মর্যাদার পূর্ণ আইনি সুরক্ষায় নতুন করে জীবন শুরুর লক্ষ্যে তিনি দ্বিতীয়বার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন যা সম্পূর্ণ বৈধ, স্বাভাবিক এবং একটি চূড়ান্ত পারিবারিক সিদ্ধান্ত।কিন্তু বিপত্তি ঘটে এখানেই। আইনি তালাক নোটিশ হাতে পাওয়ার পর, চরম ব্যক্তিগত আক্রোশ ও প্রতিহিংসাপরায়ণ মানসিকতা থেকে প্রথম স্ত্রী তাঁদের অতীত ও সামাজিক যোগাযোগের একান্ত পারিবারিক ছবিগুলোকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করেন। ছবিগুলো বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীর দ্বারে দ্বারে পৌঁছে দিয়ে এবং অসত্য ও বিকৃত তথ্যের লেপন দিয়ে এই প্রকৌশলীর সামাজিক ও পেশাগত সম্মান ধূলায় মিশিয়ে দেওয়ার এক হীন চক্রান্তে মেতে ওঠা হয়। কর্মক্ষেত্রে যাঁকে দমানো যায়নি, তাঁকে সামাজিকভাবে কোণঠাসা করতেই এই রূপকথার ভুয়া ‘স্ক্যান্ডাল’ ও গুজব ছড়িয়েছে একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট আদা জল খেয়েই। পরিবারের এমন টানাপোড়েন এবং চক্রান্ত প্রসঙ্গে গভীর মর্মবেদনা ব্যক্ত করে প্রকৌশলীর বোন বলেন, “কোয়ার্টার সেঞ্চুরি অর্থাৎ দীর্ঘ ২৫ বছর একটি ছাদের নিচে থেকেও আমরা বড় ভাবির কাছে ন্যূনতম ভালোবাসা, সহানুভূতি বা শ্রদ্ধাবোধ পাইনি। বিপরীতে, অল্প দিনেই ছোট ভাবির আন্তরিকতা, ইতিবাচক মনোভাব এবং শালীনতা আমাদের গোটা পরিবারে এক চরম আস্থা ও ভালোবাসার জায়গা তৈরি করেছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক